ধর্ষণ ও বিকৃত যৌনাচারের অপরাধে ইসরাইলি এক ধর্মীয় নেতাকে ৩০ বছরের কারাদণ্ড

0

ধর্ষণ ও বিকৃত যৌনাচারের অপরাধে ইসরাইলি এক ধর্মীয় নেতাকে ৩০ বছরের কারাদণ্ড দেয়া হয়েছে।

যৌন হয়রানির অনেকগুলো অভিযোগে গোয়েল রাটজন নামে ইহুদি আলেমকে এ দণ্ড দিয়েছে তেল আবিবের একটি আদালত।

বিচিত্রসব কৌশলে নারীদের বশীভূত করে ধর্ষণ ও যৌন নির্যাতন করতেন ইসরাইলি ওই ধর্মীয় নেতা।

রাটজনের বিকৃত রুচির রেকর্ড পুরো ইসরাইলে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করে।

জায়নবাদী এই ধর্মীয় নেতা ২১ নারীকে বশীভূত করে তাদের বিয়ে করেন এবং তার সন্তানদের সংখ্যা ৩৮।

অভিযোগ রয়েছে, তেলআবিবে একটি হারেম (প্রাসাদ) স্থাপন করে এসব অপকর্ম চালাতেন রাটজন।

স্বাভাবিক রীতির বাইরে বিকৃতভাবে এই নারীদের সাথে যৌন আচরণে লিপ্ত হতেন তিনি। নিজেকে ধর্মের ত্রাণকর্তা এবং আধ্যাত্মিক ক্ষমতার অধিকারী হিসেবে জাহির করে নারীদেরকে প্রলুব্ধ করতেন রাটজন।

২০১০ সালে তার অপকর্ম নিয়ে একটি টিভি প্রতিবেদন প্রকাশিত হলে তদন্তের পর পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করে। এর মাধ্যমে ওই ইহুদি ধর্মীয় নেতার অপকর্মের সমাপ্তি ঘটে।

আদালতের প্রসিকিউটর অভিযোগ এনে বলেন, তিনি এমন সব অপরাধ করেছেন যা কল্পনাকেও হার মানায়। একজন ধর্মীয় নেতা হিসেবে তার রুচি নিয়েও প্রশ্ন তোলেন প্রসিকিউটর।

বাইবেলের জ্ঞানের অধিকারী, সাদা চুল-দাড়িতে ধর্মীয় চেহারা নিয়ে আবির্ভূত রাটজন ধর্ষণ, সমকামিতা, ছোটখাট যৌনতা, অশ্লীলতা, লাঞ্ছনা এবং জালিয়াতির মতো অপরাধে দোষী সাব্যস্ত হয়েছেন।

অভিযোগকারী সাত জন নারীর মধ্যে ছয় জনই রাটজনের বিরুদ্ধে বিকৃত যৌনতার অভিযোগ আনেন।

আরো অদ্ভুত বিষয় হলো, রাটজনের বিরুদ্ধে মামলায় যারা সাক্ষ্য দিয়েছেন তাদের কয়েকজন তারই কন্যা এবং তাদের বেশিরভাগই অল্প বয়সের।

ইহুদি ধর্মমতে একটি বেশি বিয়ে বৈধ নয়।

সূত্র: নিউজ মিডল মনিটর

Share.

Leave A Reply