বাংলাদেশে কোন রাজনৈতিক দলেই গনতন্ত্র নেই: সাবেক নির্বাচন কমিশনার সাখাওয়াত

0

সাবেক নির্বাচন কমিশনার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব:) এম সাখাওয়াত হোসেন বলেছেন, বাংলাদেশের কোন রাজনৈতিক দলেই গনতন্ত্র নেই, চলছে শুধু দলের প্রধানদের ব্যক্তিপূজা।

শুক্রবার দুপুরে জাতীয় প্রেসক্লাবের ভিআইপি লাউঞ্জে বাংলাদেশ নিউ জেনারেশন পার্টি(বিএনজিপি)’র তৃতীয় বর্ষে পর্দাপন উপলক্ষে এক গোলটেবিল বৈঠকে তিনি এসব কথা বলেন।

সাখাওয়াত হোসেন বলেন, সামান্য সুবিধার লোভে আমরা সুর পাল্টিয়ে ফেলছি। জাতি হিসেবে সংগঠিত হতে পারি নাই। যার কারণে দেশের আজ এই রাজনৈতিক বিপত্তি।

তারুণ্যের উদ্যমের উপর নির্ভর করছে দেশের রাজনৈতিক পরিবর্তন বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

প্রধান রাজনৈতিক দলগুলোর ছাত্র সংগঠনগুলো এখন নিজেদের মধ্যেই সন্ত্রাস করছে। দেশের ‘ইয়াং জেনারেশন’কে ধ্বংসের মুখে ঠেলে দিচ্ছে রাজনৈতিক দল গুলো সমালোচনা করে বলেন তিনি।

তিনি আরও বলেন, পরিবারতন্ত্র আর রাজনৈতিক নেতাদের গুন গান গাওয়ার মানসিকতা থেকে বেড়িয়ে এসে তরুণদের সচেতনভাবে সংগঠিত হতে হবে। গণজাগরণ মঞ্চের মত আলু আলু হওয়া চলবে না।

নাগরিক ঐক্যের আহ্বায়ক মাহামুদুর রহমান মান্না বলেন, হরতালকারিরা যেমন গাড়ি ঘোড়া চললেও বলে হরতাল সফল হয়েছে, তেমনি প্রধানমন্ত্রীও বিদেশ থেকে ঘুরে এসে বলছেন সফর সফল হয়েছে।

জাতিসঙ্ঘের মাওহাসচিবের সাথে ফটোসেশন করলেই নির্বাচন সঠিক হয়েছে তা জনগণ মানবে না বলেন তিনি।

‘তৃতীয় রাজনৈতিক শক্তিই এখন বাস্তবতা’ উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘দেশের প্রধান দুই রাজনৈতিক দল গণতন্ত্রদেবে না, এই দুই দলের মধ্যে কূটনৈতিক ও গণতন্ত্রের চর্চা নেই। দল প্রধানদের যে আচরণ তাতে এরা নিজেরাই মারামারি করবে।’

কলামিস্ট গোলাম মাওলা রনি বলেন, সুযোগ ছাড়া কোন ঐতিহাসিক পরিবর্তন আসে না। বাংলার জনগণ পরিবর্তনের জন্য প্রস্তুত, এখন শুধু সুযোগের অপেক্ষা।

সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি জাহিদ ইকবালের সভাপতিত্বে অন্যনদের মধ্যে সাবেক সাংসদ এস এম আকরাম, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষক ড. সুকোমল বড়ুয়া, চলচ্চিত্র ব্যক্তিত্ব শেখ আবুল কাশেম মিঠুণ প্রমুখ।

Share.

Leave A Reply