বিয়ের দাবিতে শিক্ষকের বাড়িতে ছাত্রীর মায়ের অনশন

0

ষ্টাফ রির্পোটার: চাঁদপুর জেলার হাইমচর উপজেলা চরভাঙ্গায় ছাত্রীর মা তার শিক্ষকের সাথে পরকীয়া সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েন। পরে তিনি বিয়ের দাবিতে তার বাড়িতে অনশন করেন। গত ২৬ অক্টোবর বিকাল ৫টায় হাইমচরের চরভাঙ্গা গ্রামের কিন্ডার গার্ডেনের শিক্ষকের বাড়িতে প্রেমের টানে একটানা অনশন করেন তিনি।

ওই ছাত্রীর মা হাইমচর উপজেলা চরভাঙ্গা গ্রামে প্রবাসীর স্ত্রী এক সন্তানের জননী রায়পুর থানার চর আবাবিল গ্রামের মোঃ হাফেজ চৌকিদারের মেয়ে রেহেনা বেগম (২৫)। প্রেমিক চরভাঙ্গা গ্রামের মোঃ নেসার আহম্মদের ছেলে হাইমচর বাজার মডেল একাডেমীর প্রধান শিক্ষক মোঃ হাফেজ মিয়া আখন। প্রেমিকা রেহেনা বেগম বাড়িতে থাকা লোকজনকে বলেন, হাফেজের আমার সাথে বিয়ে না হলে আমি আত্মহত্যা করব।

এলকাবাসি জানায়, হাফেজ মিয়া পাশ্ববর্তী উপজেলা রায়পুর উপজেলা ঝাউতলা আল ইহসান কিন্ডার গার্ডেনের চাকরী করতেন। ঐ এলাকার প্রবাসীর স্ত্রী রেহেনা তার মেয়েকে ভর্তি করার জন্য স্কুলে নিয়ে গেলে হাফেজ আহম্মদ ছাত্রীর মা রেহেনা বেগম পছন্দ করেন। হাফেজ আহম্মদ তার ছাত্রীর লেখা পড়ার খোঁজ খবর নিতে গিয়ে রেহেনা বেগমের ব্যক্তিগত বিষয় জানতে চেষ্টা করেন। এক পর্যায় হাফেজ রেহেনার অর্থের লোভ সামলাতে না পেরে তাকে প্রেমের প্রস্তাব দেয়।

এ রেহেনা জানান, হাফেজের সাথে আমার প্রেম করার মত মনমানসিকতা ছিলনা। সে আমার নিকট জানায়, স্বামীর সাথে আমার কেমন সম্পর্ক? আমি বলি- আমার সাথে মনের মিল নেই। তখন সে বলে- আমার মত একটি মেয়েকে সে বিয়ে করতে চায়। সে আমার কাছ থেকে বিভিন্ন সময় ৩ লক্ষ টাকা এনেছে। আমাকে বিয়ে না করলে আমি এখান থেকে কখনই যাবোনা। প্রয়োজনে আমি তার বাড়িতে আত্মহত্যা করবো।

এই ব্যাপারের হাফেজ জানান, আমি এই মেয়েকে চিনি না, ওর সাথে আমার কোন সম্পর্ক নেই।

এই ব্যাপারে হাইমচর থানার অফিসার ইনচার্জ মো. মনিরুজ্জামান বলেন, এই ধরনের খবর পেয়েছি, যেহেতু চর আবাবিলের ঘটনা তাদেরকে বলেন রায়পুর থানায় মামলা করতে।

এদিকে ঐ দিন রাতে হাফেজের দুলাভাই মোঃ আবুল কালাম মেয়েটিকে মারধর করে কোথা রেখেছেন কেউ বলতে পারেনা। রেহেনার অভিভাবকের সাথে যোগযোগ করতে চাইলে তারা এই মেয়ের বিষয়ে কথা বলতে চায় না বলে জানিয়েছেন।

Share.

Leave A Reply