রায় ফাঁসের মামলায় জামিন পেলেন সাকা চৌধুরীর স্ত্রী-পুত্র

0

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের রায় ফাঁসের অভিযোগে দায়ের করা মামলায় জামিন পেয়েছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত যুদ্ধাপরাধী সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরীর স্ত্রী ফারহাত কাদের চৌধুরী ও ছেলে হুমাম কাদের চৌধুরী।

বৃহস্পতিবার বাংলাদেশের প্রথম ও একমাত্র সাইবার ট্রাইব্যুনালের বিচারক এম শামসুল আলম এক লাখ টাকা মুচলেকায় ও দুজন জামিনদারের জিম্মায় তাদের জামিন মঞ্জুর করেন।

এর আগে তারা সাইবার ট্রাইব্যুনালে আত্মসমর্পণ করে জামিন প্রার্থনা করেন।

একই দিন ব্যারিস্টার এ কে এম ফখরুল ইসলামের পক্ষে মামলাটির অধিকতর তদন্তের জন্য একটি আবেদন দাখিল করা হয়। এ আবদনের শুনানি করবেন অ্যাডভোকেট জাহিদুল ইসলাম কোয়েল ও অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ আলী।

উল্লেখ্য, একাত্তরের মানবতাবিরোধী অপরাধে সাকা চৌধুরীকে গত বছরের ১ অক্টোবর মৃত্যুদণ্ড দেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১। ওইদিন রায়ের আগেই সাকা চৌধুরীর স্ত্রী ও তার পরিবারের সদস্যরা ট্রাইব্যুনালের সামনে ওয়েবসাইট থেকে সংগৃহীত ‘রায়ের কপি’ সংবাদকর্মীদের দেখান।

যুদ্ধাপরাধের দায়ে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত বিএনপি নেতা সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরীর ‘রায় ফাঁসের’ মামলায় তার স্ত্রী, ছেলে ও আইনজীবীসহ সাত জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র জমা দিয়েছে গোয়েন্দা পুলিশ।

এরপর তুমুল আলোচনার মধ্যে ট্রাইব্যুনাল স্বীকার করে রায়ের খসড়া ফাঁস হয়েছে। ট্রাইব্যুনালের রেজিস্ট্রার বাদী হয়ে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইনের ৫৪, ৫৭ ও ৬৩ ধারায় শাহবাগ থানায় মামলা করেন।

এ মামলার আসামি নয়ন ও ফারুক আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন।

এ মামসলায় গত ২৮ আগস্ট সাকাচৌধুরীর স্ত্রী ফারহাত কাদের চৌধুরী, ছেলে হুমাম কাদের চৌধুরী ও আইনজীবী ব্যারিস্টার ফখরুল ইসলামসহ সাতজনের নামে ঢাকার মুখ্য মহানগর হাকিম আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন গোয়েন্দা পুলিশের পরিদর্শক শাহাজাহান হোসেন।

এ মামলায় রাষ্ট্রপক্ষে মোট ২৫ জনকে সাক্ষী করা হয়েছে।

অভিযোগপত্রভুক্ত অন্য আসামিরা হলেন- ফখরুল ইসলামের সহকারী মেহেদী হাসান, সাকা চৌধুরীর ম্যানেজার মাহবুবুল আহসান এবং আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের কর্মচারী নয়ন আলী ও ফারুক হোসেন।

আসামিদের মধ্যে ফারহাত, হুমাম ও মেহেদী ছাড়া বাকিরা কারাগারে রয়েছেন।

Share.

Leave A Reply