সেই আট টুকরা তরুণীর লাশ নেয়নি তার পরিবার

0

রাজধানীর ফকিরাপুল থেকে উদ্ধার করা তরুণীর আট টুকরো লাশ দাফনের জন্য আঞ্জুমান মুফিদুল ইসলামের কাছে দিয়েছে পরিবার।

শুক্রবার নিহত তরুণীর ভাই মামুন হোসেন লাশটি শনাক্ত করেন। তবে তিনি বোনের খন্ডিত দেহ গ্রামের বাড়িতে নিয়ে যেতে রাজি হননি। নিহত সুমি একসময় ফকিরাপুলের একটি বিউটি পার্লারে কাজ করতেন। পরিবারের অমতে বিয়ের পর থেকে তার সঙ্গে কারও যোগাযোগ ছিল না বলেও জানান মামুন।

উল্লেখ্য মঙ্গলবার ফকিরাপুল পানির ট্যাঙ্কির পাশের চারতলা একটি ভবনের ছাদসহ আশপাশের এলাকায় সুমির আট টুকরো লাশ পাওয়া যায়। তবে তখন তার পরিচয় নিশ্চিত হওয়া যায়নি। নিহত সুমি আক্তারের বাড়ি রাজশাহীর পবা উপজেলার গোবিন্দপুর গ্রামে।

মামুন হোসেন শুক্রবার ঢাকা মেডিকেল কলেজ মর্গে সাংবাদিকদের জানান, দেড় বছর আগে নাসির নামে এক ব্যক্তিকে বিয়ে করেন সুমি। এতে পরিবারের কেউ রাজি ছিলেন না। তাই বিয়ের পর সবাই তার সঙ্গে যোগাযোগ ছিন্ন করে। ভগ্নিপতি নাসির মাদক ব্যবসায় জড়িত বলেও জানান মামুন।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই মফিজুর রহমান জানান, নাসিরকে গত ৫ মার্চ ইয়াবাসহ গ্রেফতার করে পুলিশ। এ সময় ভ্রাম্যমাণ আদালত তাকে এক বছরের কারাদণ্ড দেন। স্থানীয় অন্য মাদক ব্যবসায়ীরা নাসিরকে পুলিশের কাছে ধরিয়ে দিয়েছে বলে সুমি অভিযোগ করেন। এ নিয়ে মাদক ব্যবসায়ীদের সঙ্গে সুমির দ্বন্দ্বের সৃষ্টি হয়। এর জের ধরেই সুমিকে খুন করা হয় বলে ধারণা করা হচ্ছে বলে জানান তিনি।

তদন্ত কর্মকর্তা আরো জানান, ফকিরাপুলের ১৯৩/১ নম্বর বাড়ি রোকেয়া আহসান মঞ্জিলের ছাদে সুমির মাথার অংশসহ বেশিরভাগ আলামত পাওয়া যায়। ওই বাড়ির মালিক মোবারক উল্লাহ মন্টি ও তপু নামের দুই ভাই হত্যাকাণ্ডের পর থেকে পলাতক রয়েছে বলে জানান তিনি।

Share.

Leave A Reply