৪৩ বছরেও জেলা হয়নি লাকসাম

0

ফারুক আল শারাহ:
লাকসামকে জেলা বাস্তবায়ন দাবি আন্দোলনের ৪৩ বছরেও লাকসাম জেলা বাস্তবায়িত হয়নি। স্বাধীনতা পরবর্তী ১৯৭২ সালে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নিকট লাকসামবাসীর পক্ষে তৎকালীন গণপরিষদ সদস্য আলহাজ্ব জালাল আহমেদ ও আবদুল আউয়াল লাকসামকে জেলা বাস্তবায়নের যৌক্তিকতা তুলে ধরে স্মারকলিপি দেন। এরপর বিভিন্ন সময়ে লাকসামকে জেলা বাস্তবায়নের দাবিতে রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, স্থাণীয় সরকার মন্ত্রী সহ বিভিন্ন দপ্তরে স্মারকলিপি দেয়া হয়েছে। তবে সাম্প্রতিক সময়ে মন্ত্রীসভার বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী কুমিল্লাকে বিভাগ করার আগ্রহ প্রকাশ করায় ঐতিহ্য বিবেচনায় লাকসাম জেলা বাস্তবায়িত হতে যাচ্ছে বলে ধারণা করছেন বিজ্ঞমহল। ইতোমধ্যে বিদ্যুৎ, জ্বালানী ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি, কুমিল্লা-৯ (লাকসাম-মনোহরগঞ্জ) আসনের সংসদ সদস্য মোঃ তাজুল ইসলাম লাকসামকে জেলা বাস্তবায়নের যৌক্তিকতা তুলে ধরে সংসদে প্রস্তাব উত্থাপন করেছেন। লাকসামকে জেলা বাস্তবায়নের দাবিতে সাবেক গণপরিষদ সদস্য আলহাজ্ব জালাল আহমেদ এর সুযোগ্য ছেলে প্রখ্যাত সাহিত্যিক-সাংবাদিক শিব্বীর আহমেদ নেতৃত্বে লাকসাম জেলা বাস্তবায়ন পরিষদ পরিষদ বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করেছে। এছাড়াও লাকসাম জেলা বাস্তবায়ন সংগ্রাম কমিটি, বর্তমান প্রজন্ম ফোরাম, ও লাকসাম ফাউন্ডেশন লাকসামকে জেলা বাস্তবায়নের দাবিতে বিভিন্ন উদ্যোগ নিয়েছেন। আজকের লাকসাম উপজেলা আগামীদিনের লাকসাম জেলা রূপান্তরে বৃহত্তর লাকসামের বিভিন্ন শ্রেণী-পেশার মানুষ এখন একাট্টা।
সূত্র মতে- বৃটিশ শাসনামলে ১৮৮৩ সালে বৃটিশ সরকার যখন রেললাইন স্থাপন করেন তখন দৌলতগঞ্জের উত্তরাংশে উচ্চ ভূমিতে একটি রেলষ্টেশন স্থাপন করা হয়। বর্তমানে এটি লাকসাম রেলওয়ে জংশন হিসেবে পরিচিত। লাকসাম রেলওয়ে জংশনকে কেন্দ্র করে লাকসাম-নোয়াখালী, লাকসাম-চাঁদপুর, ঢাকা-চট্টগ্রাম ভায়া লাকসাম রেলওয়ে মহাসড়ক চালু করা হয়েছে। রেলওয়ে জংশন স্থাপনের পর গুরুত্বপূর্ণ রেলষ্টেশন হিসেবে জংশনে কয়েকশ’ বৈদ্যুতিক বাতির সমারোহ ছিল। এরই সূত্রে ধরে লাকসাম পরিচিত হয়ে উঠে- কত লাকসাম কত বাতি। কত বাতির এ শহর লাকসাম এখন দেশের গুরুত্বপূর্ণ একটি উপজেলা। এক সময় দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম উপজেলা ছিল এটি। বর্তমানে সংকুচিত হয়ে এলেও স্বমহিমায় পুরনো ঐতিহ্য নিয়ে দাঁড়িয়ে আছে এ উপজেলা।
নওয়াব ফয়জুন্নেছা চৌধুরাণীর স্মৃতি বিজড়িত লাকসাম একটি গুরুত্বপূর্ণ স্থান। ডাকাতিয়ার নদীর এখানকার ঐতিহ্য। লাকসাম রেলওয়ে জংশন দেশের গুরুত্বপূর্ণ রেলওয়ে জংশনগুলির অন্যতম। ঢাকা, চট্টগ্রামসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের মানুষ এ ষ্টেশনের উপর দিয়ে চলাচল করে। বৃটিশ শাসনামল থেকে লাকসাম একটি প্রসিদ্ধ ব্যবসায়িক কেন্দ্র। এখানে গড়ে উঠছে শিল্প কারখানা। এখানকার মাটি সোনার চেয়েও খাঁটি। এ মাটিতে জন্মগ্রহণ করেছে অসংখ্য গুণী ব্যক্তি। লাকসামের বেলতলি বধ্যভূমি স্বাধীনতা সংগ্রামের উজ্জ্বল জনপদ। পাকিস্তানী বর্বরতার শিকার অসংখ্য নিরপরাধ বাঙালি এখানে শায়িত আছেন। লাকসাম নওয়াব ফয়জুন্নেছা সরকারি কলেজ লাকসামের ঐতিহ্যবাহী বিদ্যাপীঠ। লাকসাম, মনোহরগঞ্জ, নাঙ্গলকোট, সদর দক্ষিণের একমাত্র সরকারি কলেজ এটি। এখানে অধ্যায়ন করতে দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে শিক্ষার্থীরা নিয়মিত আসছে। নওয়াব ফয়জুন্নেছা সরকারি কলেজে কয়েকটি বিষয়ে অনার্স কোর্স চালু রয়েছে। সময়ের বিবর্তনে এটি পূর্ণাঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বীকৃতি পেতে পারে বলে আশা করা যায়।
লাকসাম পৌরসভা ১ম শ্রেণীর পৌরসভার আওতার্ভূক্ত। সময়ের বিবর্তনে পাল্টে যাচ্ছে এ পৌরসভার উন্নয়ন চিত্র। লাকসাম পশ্চিমগাঁওয়ের গাজী সোহেদার মাজার প্রতিদিন অসংখ্য ভক্ত মুরদানের মিলনমেলায় পরিণত হয়। লাকসাম পাইলট হাই স্কুল সংলগ্ন জগন্নাথ মন্দির হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের গুরুত্বপূর্ণ স্থান। প্রতিবছর হিন্দুদের বিভিন্ন অনুষ্ঠানাধিতে এখানে জড়ো হয় দেশের বিভিন্ন স্থানের হিন্দু সম্প্রদায়ের লোকজন জড়ো হয়। দশম সংঘপাল জ্যোতিপাল মহাথেরোর পূণ্য স্থান লাকসামের বরইগাঁও গ্রামে। ইতোমধ্যে তিনি একুশে পদকে ভূষিত হয়েছেন। প্রতিবছর লাকসামের রবইগাঁওয়ে বিভিন্ন অনুষ্ঠানে সরকারী মন্ত্রী, এম.পিসহ প্রশাসনের উর্ধ্বতন কর্মকর্তারাসহ দেশী-বিদেশী বিভিন্ন পেশাজীবি লোকজন উপস্থিত হন। লাকসামের পৌর সদরের প্রাণকেন্দ্রে অবস্থিত লাকসাম পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় সময়ের তালে তালে এগিয়ে চলেছে। বিগত কয়েক বছর থেকে এ প্রতিষ্ঠানটি এসএসসিতে সাফল্যের স্বাক্ষর রাখার পাশাপাশি জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষায়ও চমকপ্রদ ফলাফল অর্জন করে চলেছে। এছাড়া চলতি বছর লাকসাম ক্যামব্রিয়ান স্কুল এন্ড কলেজ, লাকসাম স্টামফোর্ড বালিকা বিদ্যালয়, লাকসাম ক্যাডেট কলেজসহ ব্যক্তি মালিকানায় গুনগত মানে সমৃদ্ধ অসংখ্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গড়ে উঠেছে। দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে আসা শিক্ষার্থীরা এসব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পড়ালেখা করে নিজেদের ক্যারিয়ার গড়ে তুলছে। লাকসাম পৌরসভার ফতেপুর আবুল খায়ের গ্র“প একটি বিশাল সিগারেট ফ্যাক্টরী গড়ে তুলেছে। দেশের বিভিন্ন স্থানের বিপুল সংখ্যক শ্রমিক এ ফ্যাক্টরীতে চাকুরী করে জীবিকা নির্বাহ করছে। এছাড়াও সময়ের বিবর্তনে গড়ে উঠছে ছোট-বড় ও মাঝারি শিল্প কারখানা। লাকসাম পৌর সদরের পরিবেশ, আবহাওয়া পরিস্থিতি উন্নত হওয়ার কারণে দেশের বিভিন্ন স্থানের জনগণ এখানে বসবাসের স্থান করে নিচ্ছে।
লাকসামে চিত্ত বিনোদনের জন্য রয়েছে পড়শী ও পলাশ নামক দুটি প্রেক্ষাগৃহ। গড়ে উঠেছে বিপুল সংখ্যক হসপিটাল। লাকসাম ফেয়ার হেলথ হসপিটাল, জেনারেল হসপিটালসহ বেশ কিছু হসপিটালের পরিবেশ দেশের রাজধানী ঢাকার বিভিন্ন হসপিটালের চেয়েও উন্নত।
লাকসাম দৌলতগঞ্জ বাজার বৃটিশ শাসনামল থেকে একটি প্রসিদ্ধ ব্যবসায়িক কেন্দ্র। এখানে বেশ কয়েকটি তেলের মিল রয়েছে। এছাড়া বিভিন্ন শ্রেণীভূক্ত ব্যবসা প্রতিষ্ঠানও রয়েছে এখানে। রয়েছে ব্যাংক, বীমাসহ এনজিওসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান। উল্লেখিত ঐতিহ্য বিবেচনায় লাকসাম জেলা ঘোষণার দাবিদার।
স্বাধীনতা পরবর্তী ১৯৭২ সালে সর্বপ্রথম লাকসামকে জেলা বাস্তবায়নের দাবি জানান তৎকালীন গণপরিষদ সদস্য আলহাজ্ব জালাল আহমেদ ও আবদুল আউয়াল। তারা লাকসামকে জেলা বাস্তবায়নের দাবিতে বঙ্গবন্ধুর নিকট স্মারকলিপি জমা দেন। পরবর্তীতে যিনি লাকসামকে জেলা বাস্তবায়ন দাবি জানিয়েছিলেন তিনি হলেন লাকসাম পৌরসভার সাবেক চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মোস্তফা কামাল খান। লাকসাম পৌরসভার নবনির্মিত ভবন উদ্বোধন করতে লাকসাম এসেছিলেন প্রয়াত রাষ্ট্রপতি (তৎকালীন স্থানীয় সরকার ও পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী) জিল্লুর রহমান। মোস্তফা কামাল খান লাকসামকে জেলা বাস্তবায়নের দাবি জানিয়ে জিল্লুর রহমানকে স্মারকলিপি দিয়েছিলেন। বক্তব্যে জিল্লুর রহমান ভবিষ্যত যে কোন সময়ে লাকসামকে জেলা বাস্তবায়নের আশ্বাস দিয়েছিলেন। ১৯৯১ সালের নির্বাচন পূর্ববর্তী সময়ে লাকসামে এসেছিলেন বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। নির্বাচনী জনসভায় লাকসামবাসী লাকসামকে জেলা বাস্তবায়নের দাবি জানিয়েছিল। বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাও লাকসামকে জেলা বাস্তবায়নের আশ্বাস দিয়েছিলেন। দিন আসে দিন চলে যায়। কিন্তু লাকসামকে জেলা বাস্তবায়নের দাবি মন্থর হয়ে যায়।
দীর্ঘদিন লাকসামকে জেলা বাস্তবায়ন দাবি আন্দোলন থমকে থাকার পর সাবেক গণপরিষদ সদস্য আলহাজ্ব জালাল আহমেদ এর সুযোগ্য সন্তান প্রখ্যাত সাহিত্যিক-সাংবাদিক শিব্বীর আহমেদ লাকসামকে জেলা বাস্তবায়নের দাবিতে গঠন করে লাকসাম জেলা বাস্তবায়ন পরিষদ। জেলা বাস্তবায়ন পরিষদের আহবায়ক শিব্বীর আহমেদ এর নেতৃত্বে লাকসামকে জেলা বাস্তবায়নের দাবিতে ইতোমধ্যে নজরকাঁড়া বিভিন্ন কর্মসূচি পালিত হয়েছে। বিশেষ করে লাকসামকে জেলা বাস্তবায়নের দাবিতে ইতোমধ্যে রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, স্থানীয় সরকার মন্ত্রী সহ বিভিন্ন দপ্তরে স্মারকলিপি দেয়া হয়েছে। পালিত হয়েছে মানববন্ধন, সাংবাদিক সম্মেলন সহ বিভিন্ন কর্মসূচি। জেলা বাস্তবায়ন পরিষদের উদ্যোগে বিভিন্ন কমসূচি অব্যাহত রয়েছে।
সূত্র মতে- লাকসাম উপজেলাকে বিভক্ত করে ইতিমধ্যে চারটি উপজেলা গঠন করা হয়েছে। উপজেলাগুলো হচ্ছে- লাকসাম উপজেলা, নাঙ্গলকোট উপজেলা, মনোহরগঞ্জ উপজেলা ও সদর দক্ষিন উপজেলা। বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন ভোটার তালিকা অনুযায়ী এ চারটি উপজেলায় সর্বমোট ভোটার সংখ্যা ৭ লাখের বেশী।
এছাড়া লাকসাম জেলার সাথে চাঁদপুরের শাহরাস্তি উপজেলা, নোয়াখালীর সোনাইমুড়ি উপজেলা এবং কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম ও বরুড়া উপজেলা যুক্ত করা গেলে বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন ভোটার তালিকা অনুযায়ী লাকসাম জেলার সর্বমোট ভোটার সংখ্যা দাঁড়াবে প্রায় ১৬/১৭ লাখের মতো। বাংলাদেশে ইতিপুর্বে অনেক জেলা ঘোষিত হয়েছে যার ভোটার সংখ্যা বর্তমান লাকসাম জেলা রূপরেখার ভোটার সংখ্যার চাইতে অর্ধেকেরও কম। উদাহরণ স্বরূপ মেহেরপুর জেলা মাত্র ৩টি উপজেলা নিয়ে গঠিত হয়েছে এবং এ জেলার সর্বমোট ভোটার সংখ্যা ৪ লাখ মাত্র। ঝালকাঠি জেলা মাত্র ৪টি উপজেলা নিয়ে গঠিত এবং বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন ভোটার তালিকা অনুযায়ী এ জেলার সর্বমোট ভোটার সংখ্যা সাড়ে ৩ লাখ। নড়াইল জেলা মাত্র ৩টি উপজেলা নিয়ে গঠিত এবং বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন ভোটার তালিকা অনুযায়ী এ জেলার সর্বমোট ভোটার সংখ্যা সোয়া ৪ লাখ মাত্র।
প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিল্লুর রহমান, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও স্থানীয় সরকার পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী সৈয়দ আশরাফুল ইসলামকে দেয়া স্মারকলিপিতে লাকসাম জেলা বাস্তবায়নের যৌক্তিক দাবিদার তা অবহিত করতে উপরোক্ত তথ্য সমূহ উল্লেখ করেছেন লাকসাম জেলা বাস্তবায়ন পরিষদের আহবায়ক শিব্বীর আহমেদ।
সবচেয়ে বেশী আশার কথা হচ্ছে- সাবেক বৃহত্তর লাকসামের কৃতি সন্তান পরিকল্পনা মন্ত্রী আ হ ম মোস্তফা কামাল (লোটাস কামাল) এমপি লাকসামকে জেলা বাস্তবায়নের লক্ষ্যে আন্তরিক প্রচেষ্টা অব্যাহত রেখেছেন বলে নির্ভরযোগ্য সূত্রে জানা গেছে। সাম্প্রতিক সময়ে বিদ্যুৎ, জ্বালানী ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি, কুমিল্লা-৯ (লাকসাম-মনোহরগঞ্জ) আসনের সম্মানিত জাতীয় সংসদ সদস্য মোঃ তাজুল ইসলাম লাকসামকে জেলা বাস্তবায়নের যৌক্তিকতা তুলে ধরে সংসদে প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষন করে জোরালো বক্তব্য রেখেছেন।
লাকসাম জেলা বাস্তবায়ন পরিষদের আহবায়ক শিব্বীর আহমেদ বলেন- লাকসামকে জেলা বাস্তবায়নের দাবি ৪৩ বছর আগের দাবি। এখনই লাকসামকে জেলা বাস্তবায়নের উপযুক্ত সময়। দলমত-নির্বিশেষে লাকসামকে জেলা বাস্তবায়নের লক্ষ্যে সকলকেই জেলা বাস্তবায়নের দাবির আন্দোলনের সাথে সম্পৃক্ত হতে হবে। আর সকলের সম্মিলিত আন্দোলন সরকারের নজর কাঁড়বে। আর এতে বর্তমান সরকারের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা অনতিবিলম্বে কুমিল্লাকে বিভাগ বাস্তবায়নের পাশাপাশি লাকসামকে জেলা বাস্তবায়ন করে লাকসামবাসীর দীর্ঘ ৪৩ বছরের দাবির অবসান ঘটাবেন বলে আমরা মনে-প্রাণে প্রত্যাশা করি।

Share.

Leave A Reply